দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, রোগ নিরাময়ের পাশাপাশি এখন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে এবং এ জন্য জন্মের পর থেকেই উদ্ভাবনী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম)-এ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব খাতে পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এম. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একজন চিকিৎসকের হাসিমুখ ও সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ রোগীকে অনেকটাই সুস্থ করে তুলতে পারে। মানুষের চিকিৎসা শুধু ওষুধ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সঠিক পরামর্শ ও মানবিক আচরণও চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
দেশে ক্যান্সার ও কিডনি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি কষ্ট সহ্য করতে হয়। তাই গবেষণা, সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণের উন্নয়ন দিয়ে মানুষের চাহিদা পূরণ হয় না। জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে, বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গবেষণা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সরকারের অঙ্গীকার। কোনো নাগরিক যেন স্বাস্থ্যসেবার বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ড. এম. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, স্বাস্থ্য গবেষণায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাফল্য রয়েছে। ডায়রিয়া ও কলেরা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
তিনি গবেষকদের মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এক এলাকার সফল অভিজ্ঞতা অন্য এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া গেলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।
এমএম/